কবিতামি

শিল্পের নিগূঢ় বন্ধন

Action

কবিতামি

শিল্পের নিগূঢ় বন্ধন

Action

আজ যে হার্টের প্রতিটা স্পন্দন

আজ যে হার্টের প্রতিটা স্পন্দন ভেঙেছেঅভিমানে;অসমাপ্ত গল্পের শেষেঅথচ,এক সময়সে হার্টের প্রতি বিটে ভালবাসা ছিলতোমাকে ঘিরে, তোমার তুমিতে মিশে।একটা সহজ সরল মেয়ে ঠিক যতটা সহজসরল হলে

অপ্রিয়- সিরিজ

অপ্রিয় জানো এখনো তোমার অপ্রেক্ষায় রয়ে গেছেঅযত্নে ফেলে রাখা একটা গোছানো সংসারদু’হাতের ছোঁয়াতে সাজানো আসবাব,আজো ড্রেসিং টেবিলের উপরে পড়ে আছেখুব সস্তার ধুলো জমা টিপের পাতায়

অপ্রিয়- সিরিজ ২

অপ্রিয় শুনছেন!! প্রতি বিষ্যুদবার সন্ধ্যাকালীন আকাশে মেঘ জমিয়ে আমি চেয়ে থাকি আপনার অপেক্ষায়;অথচ আপনি আসেন না এক প্রহরের বৃষ্টিতেই বন্যা হয়ে ভেসে যাই আমি ভেসে

অপ্রিয় সিরিজ ৪

অপ্রিয় জানো বেশ ক’বছর আমার শহরে কোন বর্ষা নেই নেই কোন বসতি,সব কিছু বিলীন হয়ে গেছে সবুজ বৃক্ষগুলো মরতে বসেছে তেপান্তরের মাঠ,খাল-বিল সব শুকিয়ে গেছে

অপ্রিয় সংলাপ

এই যে অপ্রিয় নামের মেয়েটা-কে নিয়ে এতো কিছু হাবিজাবি লিখিঅথচ মেয়েটা নিজেও জানে না তাকে নিয়েকত কি ভাবনারা বয়ে বেড়াই আমিপ্রথম দেখাতেই ভাল লেগে যায়,কিছু

অপ্রিয় প্রথম দেখা

কাচা হলুদে গড়া লাল পেড়ে শাড়িটায় খুব মানিয়েছিল অপ্রিয়’র এক হাতে কাচের চুড়ির টুংটাং করা শব্দ আর, অন্য হাতে রবীন্দ্রনাথ’এর “শেষের কবিতা” উপহার স্বরূপ একগুচ্ছ

অথচ তুমি আমি এই পৃথিবীর

অথচ তুমি আমি এই পৃথিবীর সবটাই কিনেছিলাম এতটুকুও দরকষাকষি ছিলো না আমাদের মাঝে  তবুও হুট করে আসা কালবৈশাখী-তে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে সব তোমার পৃথিবী থেকে

শূণ্যতা

একটু বাদে পরের ষ্টেশন, সে নামবে একসাথে আর পথ চলা হবে না অনেক দূরের পথ তবু যেন মনে হল এইতো সবে পথ চলা শুরু,একটুবাদে ষ্টেশন

বর্ষা ঝরা একটি রাত চাই

পিছন থেকে আলতো জড়িয়ে ; জানালার গ্রীলের ফাঁক দিয়ে হাত বাড়িয়ে তোমায় নিয়ে বৃষ্টি স্পর্শ করবো। আমার কথা উপেক্ষা করে ; আদুল পায়ে, খোলা ছাদে